বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
গত ২৯ এপ্রিল দৈনিক বাংলা ভূমি অনলাইন নিউজ পোর্টালে বরিশাল আ’লীগ সমর্থকদের স্পেশাল সুবিধা দিচ্ছে সিইও রেজাউল বারি শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটুকু আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমাকে জড়িয়ে যেসব লেখা হয়েছে সেসব পুরোপুরি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মূলত : কোন এক কুচক্রিমহল আমাকে সামাজিকভাবে হেনস্থাসহ অর্থনৈতিকভাবে ফাঁয়দা লুটতে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এহেন তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে কল্পকাহিনী প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত সংবাদে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২০২৫ সালের ০৬ এপ্রিল ৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী বদলী হলেও আমাকে কেন বদলী করা হয়নি বলে সংবাদে অভিযোগের সুরে প্রশ্ন তোলা হয়। প্রকৃতপক্ষে : আমার চাকুরী জীবনের শুরু থেকেই সরকারের বিধিবিধানমতে সুনামের সাথে জনগণের সেবা প্রদান করে আসছি। এক্ষেত্রে আমি সরকারি নিয়মকানুকে অমান্য করে কোন ধরণের অন্যায়-অনিয়ময়ের সঙ্গে কখনো আপোস করিনি। সরকারি কর্মচারী হিসেবে অবশ্যই আমাকে সরকারের আদেশ মোতাবেক দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকার কোন কর্মচারী কখন কোথায় বদলী করবে এটা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অভ্যন্তরীন বিষয়। বদলী করা, নতুন কর্মস্থলে যোগদান, বদলী না করা এটা সরকারি সকল দপ্তরের একটা চলমান প্রক্রিয়া। বিধিবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে চাকরীজীবী ব্যক্তি কাঙ্খিত কিংবা সন্তোসজনক সেবা দেওয়ার কারনে উপকারভোগী জনগণের সুবিধার্তে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা অনেক সময়ে বদলী না করে একই কর্মস্থলে বহাল রাখেন।
আমি ২০০১ সালে বরিশাল পৌরসভায় প্রথমে অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকুরিতে যোগদান করি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যখন যেভাবে আদেশ করছেন সেই মোতাবেক বিশ্বস্ততার সাথে কাজ করে আসছি। ২০১১ সালে আমার চাকুরী স্থায়ী করণ করা হয়। এরপর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুর রহমান আজিম সাহেবের সাথে পরিচ্ছন্নতা ওয়ার্ড সুপার ভাইজার ও কাম ওয়ার্ড সচিব পদে ১০ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। একইভাবে সহিদুল ইসলাম তালুকদার ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর থাকাকালীন সময়ে ৫ বছর কাজ করেছি।
আমার চাকুরী জীবনে সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে জনগণের সেবা প্রদান করে আসছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয় আওয়ামী লীগ নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল সিটির মেয়র হিসেবে দায়িত্বে বসার পর আমাকে চাকুরীচ্যুত করার মিশনে নামে এক অশুভ শক্তি। একপর্যায়ে মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহর শাসনামলের শেষের দিকে ৬ মাসের বেতন ও অফিসের কার্যক্রম থেকে অবৈধভাবে বিরত রাখা হয়েছিল।
পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্তপক্ষের আদেশ বলে ২০ নং ওয়ার্ডে আমাকে অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই থেকে আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছি।
এরকম অবস্থায় আমার তীল তীল করে গড়ে তোলা সুনাম ক্ষুন্ন করায় পাঁয়তারায় অশুভ মহলটি সংবাদকর্মীদের ভুল তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায় আমার মানহানী করা হয়েছে। সুতারং আমি উক্ত প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই।
পিন্টু বিশ্বাস, অফিস সহকারী কাম ডাটা এন্ট্রি অপারেটর , ২০ নং ওয়ার্ড, বরিশাল সিটি কর্পোরশন। বরিশাল।
ইউনিভার্সেল : ৩৪/২৫
© All rights reserved ©2022-2026 universalnews24.comDesign By Ahmed Jalal.
Leave a Reply